আমার বয়স তখন ৩৪, ভেবেছিলাম অনেক দেরি হয়ে গেছে। তৃতীয় সপ্তাহে একাই বাজারে সাইকেল চালিয়ে গেলাম। কোচরা কখনো তাড়াহুড়ো করেননি।
শিক্ষার্থীদের রিভিউ
আমাদের রাইডারদের গল্প
যেসব মেয়ে ও নারী আমাদের সঙ্গে সাইকেল চালানো শিখেছেন, তাঁদের নিজের কথা।
আমার মা কখনো শেখেননি। এখন আমরা প্রতি শুক্রবার একসঙ্গে চালাই, আর মা পুরো পথ হাসতে থাকেন। তাঁকে সাহসী করে তোলার জন্য ধন্যবাদ।
ডেলিভারির কাজ আমাকে নিজের আয় দিয়েছে। সড়ক নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ আমাকে নিরাপদ বোধ করিয়েছে, আর টিম এখনও খোঁজ নেয়।
পুরস্কার মঞ্চে দাঁড়াব, কখনো কল্পনাও করিনি। প্রথম টলমলের ছয় মাস পর আমার গলায় পদক ঝুলছিল।
পড়ে যাওয়ার ভয় ছিল, কিন্তু আমি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত কোচ সিট ধরে রেখেছিলেন। এখন বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেলে স্কুলে যাই।
বাড়িতে সাইকেল ছিল না, তাই দল থেকে ধার নিয়েছিলাম। এই ছোট সুযোগটাই আমাকে শেষ পর্যন্ত শুরু করতে দিয়েছে।
ফেডারেশনে যোগ দেওয়া ছিল অনেক বড় ব্যাপার। এখানকার কোচরা আমাকে প্রস্তুত করেছেন, প্রথম রেসে নিজেকে একা মনে হয়নি।
কাজটা কঠিন, কিন্তু দুই চাকায় আয় করতে পেরে আমি গর্বিত। কর্মজীবী নারীদের জন্য আরও সন্ধ্যার ব্যাচ হলে ভালো হতো।
অন্য মেয়েদের সঙ্গে শিখতে মজা লেগেছে। কেউ প্রথমবার ভারসাম্য রাখতে পারলে আমরা সবাই হাততালি দিতাম।
নিজের গল্প লিখতে প্রস্তুত?
পরবর্তী ব্যাচে যোগ দিন এবং আমাদের সঙ্গে চালান।